Monday, 19 January 2015

সাকিবের বিগ ব্যাশ শেষ


খেলেছেন মাত্র চার ম্যাচ। জিতেছেন দুটিতে। এছাড়া মেলবোর্ন রেনিগেডসের হয়ে আর কিছুই করতে পারলেন না বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। গ্রুপ পর্বের ৮ ম্যাচে যে ৫টিতেই হেরে বিদায় নিয়েছে সাকিব আল হাসানের দল। একই সঙ্গে সমাপ্তি ঘটলো বাংলাদেশের ক্রিকেট তারকার বিগ ব্যাশ অভিযান।

মেলবোর্নের ডকল্যান্ড স্টেডিয়ামে সাকিবের দল মেলবোর্ন রেনিগেডস বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল শীর্ষে থাকা অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের। জিতলে সম্ভাবনা টিকে থাকত সেমিফাইনালের। হারলেই বিদায়। শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালেই আর ওঠা হলো না সাকিবের দলকে।

অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের কাছে হারতে হয়েছে ২২ রানের ব্যাবধানে। মেলবোর্ন রেনিগেডসকে বিদায় করে দিয়ে ঠিকই সবার আগে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করে ফেলেছে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স। ৮ ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ ১৩ পয়েন্ট। আর ৮ ম্যাচে ৫ হার এবং ৩ জয়ে মেলবোর্ন রেনিগেডসের পয়েন্ট মাত্র ৬। অবস্থােন দাঁড়িয়েছে ৬ নাম্বারে। সেরা চারে ঠাঁই করে নেওয়ার সুযোগ এখন আর তাদের নেই। সুতরাং বিদায়।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অ্যাডিলেড। ট্রাভিস হেডের ৩৪ বলে টর্নেডো গতির ৭১ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ৫ উইকেটে ১৬৬ রান সংগ্রহ করে অ্যাডিলেড। কালভিন স্মিথ ৩৪ বলে করেন ৪১ রান।

বল হাতে এদিন শূন্যই ছিলেন সাকিব। ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে কোন উইকেট পাননি তিনি। ৩ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন নাথান রিমিংটন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেটেই ১৪৪ রানে থেমে যায় মেলবোর্ন রেনিগেডস। সর্বো”চ ৩৩ রান করেন বেন স্টোকস। ১৬ বলে ২২ রান করেন সাকিব।

No comments:

Post a Comment

About Me

My photo
শামীম হোসেন ১৯৯২ সালের ১০ আগস্ট যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে যথাক্রমে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ২০১৪ সালে শিক্ষাজীবনেই তার সাংবাদিকতা ক্যারিয়ার শুরু। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি মানস নাট্যাঙ্গনে তিন বছর সক্রিয় থিয়েটার কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর দুটি প্যাকেজ নাটক এবং অসংখ্য শর্টফিল্মে অভিনয় করেছেন। বেশ কয়েকটি শর্টফিল্ম রচনা ও পরিচালনাও করেছেন। ২০১৬ সালে ইয়াসিন রহমান সুমনের পরিচালনায় শিশু মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীক ‘কান্ট্রি ইজ মাই হার্ট’ নামে একটি শর্টফিল্মে প্রথম অভিনয় করেন। ২০১৯ সালে তার লেখা ও পরিচালনায় প্রথম শর্টফিল্ম ‘যদি থাকে নসিবে’ রিলিজ হয়। তার উল্লেখযোগ কাজের মধ্যে রয়েছে- কান্ট্রি ইজ মাই হার্ট (শর্টফিল্ম), যদি থাকে নসিবে (শর্টফিল্ম), ভিলেজ মেম (নাটক), তাফালিং জামাই (নাটক), ক্ষুধার্ত দৈত্য (শর্টফিল্ম), আলম দালাল (নাটক), প্রেম সম্রাট (শর্টফিল্ম), অদ্ভুত কালো ভুতের প্রেম (শর্টফিল্ম), কাঠগড়ায় মায়ের সম্মান ও জাদুর বাকশ। শামীম হোসেন সাংবাদিকতা, নাটক ও শর্টফিল্ম লেখা ও পরিচালনার পাশাপাশি গানও লিখেছেন বেশ কয়েকটি। ‘করোনা থেকে বাঁচার প্রার্থনা’ ও ‘তুলে নাও হে প্রভু মহামারি করোনা’ শিরোনামে দুটি সঙ্গীতে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া অসংখ্য জনপ্রিয় গানও কভার করেছেন।